বিজি

ব্রোমোএডিওলোন

সংক্ষিপ্ত বিবরণ:

এই পণ্যটি ইঁদুর দমনের একটি উপাদান। এটি একটি দ্বিতীয় প্রজন্মের অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট রোডেন্টিসাইড যা প্রোথ্রোমবিনের গঠনকে বাধা দেয়, যা রক্ত ​​জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয়। এর ফলে বিষক্রিয়া ও রক্তক্ষরণ ঘটে, যার পরিণতিতে মৃত্যু হয়। এটি একবারই বিষক্রিয়া ঘটায় এবং এর কোনো দ্বিতীয় বিষক্রিয়ার প্রভাব নেই। এটি বিভিন্ন ধরণের ইঁদুরের জন্য মারাত্মক। এটি ঘরে বসবাসকারী ইঁদুর এবং কৃষি, পশুপালন ও বনজ কীটপতঙ্গের উপর, বিশেষ করে ঔষধ-প্রতিরোধী কীটপতঙ্গের উপর চমৎকার নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা রাখে। এটি অ-মানক এবং অ-লক্ষ্য প্রাণীদের জন্য তুলনামূলকভাবে নিরাপদ।


  • সিএএস:২৮৭৭২-৫৬-৭
  • রাসায়নিক সূত্র:C30H23BrO4
  • পণ্যের বিবরণ

    পণ্যের ট্যাগ

    এই পণ্যটি একটি ইঁদুর দমনকারী ঔষধ। এটি একটি দ্বিতীয় প্রজন্মের অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট রোডেন্টিসাইড যা প্রোথ্রোমবিনের গঠনকে বাধা দেয়, যা রক্ত ​​জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয়। এর ফলে বিষক্রিয়া ও রক্তক্ষরণ ঘটে, যার পরিণতিতে মৃত্যু হয়। এটি একবারই বিষক্রিয়া ঘটায় এবং এর কোনো দ্বিতীয় বিষক্রিয়ার প্রভাব নেই। এটি বিভিন্ন ধরণের ইঁদুরের জন্য মারাত্মক। এটি ঘরে বসবাসকারী ইঁদুর এবং কৃষি, পশুপালন ও বনজ কীটপতঙ্গের উপর, বিশেষ করে ঔষধ-প্রতিরোধী কীটপতঙ্গের উপর চমৎকার নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা রাখে। এটি অ-প্রমিত এবং লক্ষ্যবহির্ভূত প্রাণীদের জন্য তুলনামূলকভাবে নিরাপদ। ইঁদুরের মৃত্যুর সর্বোচ্চ সময়কাল হলো ৫-৬ দিন। এর ধীর ক্রিয়ার কারণে, এটি ইঁদুরকে আতঙ্কিত করার সম্ভাবনা কম এবং এটি সহজেই কীটপতঙ্গ নির্মূল করার বৈশিষ্ট্য ধারণ করে।
    এটি বিভিন্ন আবাসিক এলাকা, বন্দর, ডক, বিমানবন্দর, রেলপথ, গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগির খামার, শস্যভাণ্ডার, কৃষিজমি, চারণভূমি ইত্যাদিতে ব্যাপক পরিসরে ইঁদুর দমনের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।

    পণ্যের নাম ব্রোমোএডিওলোন
    বিষয়বস্তু ০.০০৫%
    ফাংশন ইঁদুরনাশক
    আবেদন বিষটোপ প্রয়োগ পদ্ধতি: ইঁদুরের চলাচলের পথের কাছে, ইঁদুরের গর্তের কাছে, অথবা যেসব জায়গায় ইঁদুর প্রায়শই দেখা যায়, সেখানে বিষটোপ রাখুন।
    নিয়মিত টোপ ছিটানোর পরিমাণ: বাড়ির ভেতরে প্রতি ১০-১৫ বর্গমিটারে ৩-৪টি টোপের স্তূপ রাখুন, প্রতিটি স্তূপে ১-২টি করে থাকবে। বাড়ির বাইরে প্রতি ৫ মিটারে ১-২টি স্তূপ রাখুন, প্রতিটি স্তূপে ২-৩টি করে থাকবে। কৃষিজমি এবং তৃণভূমিতে প্রতি একরে ৩০-৫০টি স্তূপ রাখুন, প্রতিটি স্তূপে ৩-৪টি করে থাকবে। যদি ইঁদুরের ঘনত্ব বেশি হয় এবং বিষটোপ খাওয়ার পরিমাণ বেশি হয়, তবে প্রতি ৩ দিন অন্তর বিষটোপ পরীক্ষা করা এবং সাথে সাথে তা পুনরায় পূরণ করা প্রয়োজন।

    মনোযোগ

    ১. এই পদার্থটি বিষাক্ত এবং এর জন্য কঠোর ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। পদার্থটি প্রয়োগ করার পর, উপকারী জীবেরা যাতে ভুলবশত এটি খেয়ে না ফেলে, সেজন্য পাখি, হাঁস-মুরগি ও গবাদি পশুর ঐ স্থানে প্রবেশ রোধ করা আবশ্যক।
    ২. এটি এমন জায়গায় সংরক্ষণ করা উচিত যেখানে শিশুরা নাগাল পাবে না।
    ৩. প্রয়োগ প্রক্রিয়া চলাকালীন সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত, যেমন সুরক্ষামূলক পোশাক, মাস্ক এবং গ্লাভস পরা। উপাদানটি ব্যবহারের পর অবিলম্বে হাত ধুয়ে ফেলা অথবা পানি দিয়ে সংস্পর্শে আসা ত্বক ধুয়ে ফেলা উচিত।
    ৪. মৃত ইঁদুর ও অবশিষ্ট উপাদান পুড়িয়ে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে।
    ৫. গর্ভবতী ও স্তন্যদায়ী মহিলাদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা উচিত।
    ৬. পানির উৎস বা পানি ব্যবস্থা দূষিত করা নিষিদ্ধ, এবং নদী, পুকুর ইত্যাদিতে সরঞ্জাম পরিষ্কার করাও নিষিদ্ধ।

    বিষক্রিয়ার প্রাথমিক চিকিৎসা

    ১. ভুলবশত খেয়ে ফেললে, অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির পাকস্থলী ধৌত করুন এবং বিষমুক্ত করার জন্য দ্রুত ভিটামিন কে১ ইনজেকশন দিন।
    ২. যদি এটি ত্বকের সংস্পর্শে আসে বা চোখে ছিটে যায়, তবে প্রচুর পরিমাণে প্রবাহিত জল বা ফিজিওলজিক্যাল স্যালাইন দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এবং চিকিৎসকের সাহায্য নিন।
    ৩. ভুলবশত শ্বাসের সাথে ভেতরে গেলে, দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বিশুদ্ধ বাতাসে পূর্ণ কোনো স্থানে চলে যান। শ্বাসনালী পরিষ্কার রাখুন এবং চিকিৎসকের সাহায্য নিন।
    ৪. বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে ত্বকের নিচে রক্তপাত, মুখ দিয়ে রক্তপাত বা রক্তযুক্ত মলের মতো কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে কিনা, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করুন। রক্ত ​​জমাট বাঁধার সময়ে কোনো অস্বাভাবিকতা আছে কিনা, তা নিয়মিত পরীক্ষা করুন।
    ৫. এই পদার্থটির কার্যকর প্রতিষেধক হলো “ভিটামিন কে১”।

    সংরক্ষণ এবং পরিবহন

    এই পণ্যটি আগুন বা তাপের উৎস থেকে দূরে একটি শুষ্ক, শীতল, ভালোভাবে বায়ু চলাচল করে এমন এবং বৃষ্টিরোধী স্থানে সংরক্ষণ করা উচিত। এটি শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন এবং তালাবদ্ধ করে রাখুন।
    ২. খাদ্য, পানীয়, পশুখাদ্য বা অন্যান্য পণ্যের সাথে একত্রে সংরক্ষণ বা পরিবহন করবেন না।
    ৩. ব্যবহৃত পাত্রগুলো যথাযথভাবে নিষ্পত্তি করতে হবে। এগুলো অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা বা যত্রতত্র হারিয়ে ফেলা যাবে না।

    আমাদের সুবিধা

    ১. আমাদের একটি পেশাদার ও দক্ষ দল আছে যা আপনার বিভিন্ন চাহিদা পূরণ করতে পারে।
    ২. রাসায়নিক পণ্য বিষয়ে ব্যাপক জ্ঞান ও বিক্রয় অভিজ্ঞতা থাকতে হবে এবং পণ্যের ব্যবহার ও তার কার্যকারিতা সর্বোচ্চ করার উপায় সম্পর্কে গভীর গবেষণা থাকতে হবে।
    ৩. গ্রাহক সন্তুষ্টি নিশ্চিত করার জন্য সরবরাহ থেকে উৎপাদন, প্যাকেজিং, মান পরিদর্শন, বিক্রয়োত্তর সেবা এবং মান থেকে পরিষেবা পর্যন্ত ব্যবস্থাটি সুসংহত।
    ৪. মূল্যের সুবিধা। গুণমান নিশ্চিত করার শর্তে, আমরা গ্রাহকদের স্বার্থ সর্বোচ্চ করার লক্ষ্যে আপনাকে সর্বোত্তম মূল্য প্রদান করব।
    ৫. পরিবহন সুবিধা: আকাশ, সমুদ্র, স্থল, এক্সপ্রেস—সবকিছুর দেখভালের জন্য আমাদের নিবেদিত এজেন্ট রয়েছে। আপনি যে পরিবহন পদ্ধতিই বেছে নিতে চান না কেন, আমরা তার ব্যবস্থা করতে পারি।


  • পূর্ববর্তী:
  • পরবর্তী:

  • আপনার বার্তাটি এখানে লিখে আমাদের কাছে পাঠিয়ে দিন।