ক্যালসিয়াম গ্লুকোনেট
আবেদন
১. শূকর, গরু এবং ভেড়া: প্রাণীদের জন্য মুখে খাওয়ার এবং ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রয়োগযোগ্য গ্লুকোজ অ্যাসিড ক্যালসিয়াম দ্রবণ শূকর, গরু এবং ভেড়ার ক্যালসিয়ামের অভাবজনিত স্বাস্থ্য সমস্যা, যেমন প্রসবোত্তর পক্ষাঘাত, তরুণাস্থি গঠনগত ব্যাধি (রিকেটস) এবং বিপাকীয় ব্যাধিজনিত রোগ ইত্যাদির চিকিৎসায় ব্যবহার করা যেতে পারে।
২. কুকুর এবং বিড়াল: ভেটেরিনারি গ্লুকোজ অ্যাসিড ক্যালসিয়াম ইনজেকশনটি কুকুর, বিড়াল এবং অন্যান্য প্রাণীর ক্যালসিয়ামের অভাবজনিত উপসর্গ, যেমন হাইপোক্যালসেমিয়া এবং অস্টিওম্যালাসিয়ার চিকিৎসা বা প্রতিরোধে ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি অস্ত্রোপচারের আগে এবং পরে সহায়ক চিকিৎসা হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।
৩. অল্পবয়সী প্রাণী: শৈশবে যেসব প্রাণীর ক্যালসিয়ামের ঘাটতি থাকে, যেমন মেষশাবক, তাদের ক্ষেত্রে “Oral Liquid for Rapid Calcium, Phosphorus, Magnesium, Zinc and Glucose Acid Calcium” নামক পশুচিকিৎসা পণ্যটি তরুণাস্থির রোগ এবং ক্যালসিয়ামের অভাবজনিত অন্যান্য অবস্থা প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে।
প্রধান কার্যাবলী এবং প্রভাব
১. হাইপোক্যালসেমিয়ার চিকিৎসা: এটি রক্তে ক্যালসিয়াম আয়নের ঘনত্ব দ্রুত বাড়াতে পারে এবং হাইপোক্যালসেমিয়া ও অস্টিওম্যালাসিয়ার মতো রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
২. প্রসবোত্তর পক্ষাঘাতের প্রতিরোধ ও চিকিৎসা: সদ্য বাচ্চা প্রসবকারী মা শূকর বা ভেড়ার শরীরে ক্যালসিয়ামের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ব্যবহৃত হওয়ার কারণে তাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে দুর্বলতা দেখা দিতে পারে এবং এমনকি তারা দাঁড়াতেও অক্ষম হতে পারে। এই সময়ে, সময়মতো ক্যালসিয়াম গ্লুকোনেট সরবরাহ করা অত্যন্ত জরুরি।
৩. কনড্রোডিসপ্লাসিয়া (রিকেটস) প্রতিরোধ: শৈশবে প্রাণীরা যদি পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম না পায়, তবে তাদের হাড়ের বৃদ্ধি অস্বাভাবিক হতে পারে এবং তা তাদের ভবিষ্যৎ বৃদ্ধি ও বিকাশকে প্রভাবিত করতে পারে। এই তরল ঔষধটি নিয়মিত সেবন করালে এই ধরনের সমস্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব।
৪. অস্ত্রোপচার-পরবর্তী ও অস্ত্রোপচার-পূর্ববর্তী চিকিৎসা: প্রাণীর দেহে ক্যালসিয়াম আয়নের মাত্রা নিরাপদ সীমার মধ্যে রাখা নিশ্চিত করার জন্য এটি সাধারণত অস্ত্রোপচারের আগে ও পরে একটি সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৫. ক্যালসিয়াম শোষণের হার বৃদ্ধি করে: কিছু পণ্যে ভিটামিন ডি৩ থাকে, যা ক্যালসিয়ামের শোষণের হার বাড়াতে সাহায্য করে, ফলে ক্যালসিয়াম আরও ভালোভাবে ব্যবহৃত হতে পারে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয়ে রোগের প্রকোপ কমায়।
৬. পানিশূন্যতার অবস্থার উন্নতি ঘটায়: কিছু পণ্যে ইলেক্ট্রোলাইটও থাকে, যা শরীরের জলের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং পানিশূন্যতা কমাতে সাহায্য করে। এটি বিশেষ করে প্রসব পরবর্তী দুর্বল গবাদি পশুর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।











