উচ্চ মানের কীটনাশক ডি-টেট্রামেথ্রিন সিএএস ৭৬৯৬-১২-০
পণ্যের বিবরণ
ডি-টেট্রামেথ্রিন ৯২% টেক দ্রুত মশা, মাছি এবং অন্যান্য উড়ন্ত পোকামাকড়কে দমন করতে পারে এবং তেলাপোকা ভালোভাবে তাড়াতে পারে। এটি একটিকীটনাশকমাছি, মশা এবং অন্যান্য গৃহস্থালীর ক্ষতিকর পোকামাকড়ের উপর এর শক্তিশালী ও দ্রুত প্রভাব রয়েছে এবং এটি তেলাপোকাকে বিতাড়িত করে। তেলাপোকার উপর এর বিতাড়ক প্রভাব রয়েছে। এটি প্রায়শই শক্তিশালী নিধন ক্ষমতা সম্পন্ন অন্যান্য উপাদানের সাথে ব্যবহৃত হয়। এটি স্প্রে এবং অ্যারোসল তৈরির জন্য উপযুক্ত।
ব্যবহার
ডি-টেট্রামেথ্রিন মশা ও মাছির মতো ক্ষতিকর পোকামাকড়ের বিরুদ্ধে চমৎকার কার্যকর এবং তেলাপোকার উপর এর তীব্র প্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে। এটি অন্ধকার ফাটলে বসবাসকারী তেলাপোকাকে তাড়াতে পারে, কিন্তু এর প্রাণঘাতী ক্ষমতা কম এবং রাসায়নিকভাবে পুনরায় আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটে। তাই, এটি প্রায়শই অন্যান্য উচ্চ প্রাণঘাতী উপাদানের সাথে একত্রে ব্যবহৃত হয়। বাড়ি এবং গবাদি পশুর ক্ষেত্রে মশা, মাছি এবং তেলাপোকা নিয়ন্ত্রণের জন্য এটিকে অ্যারোসল বা স্প্রে হিসাবে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। এটি বাগানের কীটপতঙ্গ এবং খাদ্য গুদামের কীটপতঙ্গ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ করতেও পারে।
বিষক্রিয়ার লক্ষণ
এই পণ্যটি নার্ভ এজেন্ট শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত, এবং এর সংস্পর্শে আসা স্থানে ত্বকে ঝিনঝিন অনুভূতি হয়, কিন্তু কোনো লালচে ভাব (ইরাইথেমা) হয় না, বিশেষ করে মুখ ও নাকের চারপাশে। এটি খুব কম ক্ষেত্রেই সিস্টেমিক বিষক্রিয়া ঘটায়। অধিক পরিমাণে সংস্পর্শে এলে এটি মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব ও বমি, হাত কাঁপা এবং গুরুতর ক্ষেত্রে খিঁচুনি বা মৃগীরোগ, কোমা ও শক ঘটাতে পারে।
জরুরি চিকিৎসা
১. কোনো বিশেষ প্রতিষেধক নেই, লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা করা যেতে পারে।
২. বেশি পরিমাণে গিলে ফেললে গ্যাস্ট্রিক ল্যাভেজ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
৩. বমি করাবেন না।
মনোযোগ
১. ব্যবহারের সময় সরাসরি খাবারের উপর স্প্রে করবেন না।
২. পণ্যটি একটি বদ্ধ পাত্রে ভরে নিম্ন তাপমাত্রার শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করতে হবে।















